আমি সেই দিন হতে উম্মাদ-
না, সেতো দিন নয়, সে যে রাত
গভীর কালো রাত।
না, সেতো দিন নয়, সে যে রাত
গভীর কালো রাত।
বাঙ্গালীর ভাগ্যাকাশে এক দুর্জয় প্রলয়ের
রাত।
চৌদিকে হাহাকার, কামান, রাইফেল, আগুন
আর ঐ জানোয়ারের গর্জনে
ভষ্মিভূত মানুষ স্তুপ করে রেখেছে
ওরা ময়দানে ময়দানে।
আর ঐ জানোয়ারের গর্জনে
ভষ্মিভূত মানুষ স্তুপ করে রেখেছে
ওরা ময়দানে ময়দানে।
বাঙালীকে এই বাংলা থেকে ভাসিয়ে
দিতে
চেয়েছিল ওদের রক্তের স্রোতে,
হিংস্র নখরে মাসব বধিতে দানব
এসেছিল সেই রাতে।
চেয়েছিল ওদের রক্তের স্রোতে,
হিংস্র নখরে মাসব বধিতে দানব
এসেছিল সেই রাতে।
প্রতিটি বাঙালীর মৃত্যুর
টেলিগ্রাম বেজে উঠা সেই রাত-
ওদের চাওয়া ধন-সম্পদ, বাঙালী নিধন
আর সুন্দরী আওরাত।
ওদের চাওয়া ধন-সম্পদ, বাঙালী নিধন
আর সুন্দরী আওরাত।
আমি সেই দিন হতে উম্মাদ-
যবে আমার হাত, পা, স্কন্ধ, মাথা
সমস্ত অবয়ব
বাঁধিয়া এক বৃক্ষের সনে
বোনের ইজ্জত করিছে লুটপাট
ঐ জানোয়ারেরা
মোর দৃষ্টির সামনে।
যবে আমার হাত, পা, স্কন্ধ, মাথা
সমস্ত অবয়ব
বাঁধিয়া এক বৃক্ষের সনে
বোনের ইজ্জত করিছে লুটপাট
ঐ জানোয়ারেরা
মোর দৃষ্টির সামনে।
লজ্জায়, ঘৃনায়,ক্রোধে, অপমানে
আমার মুর্ছিত দেহ
যেতে চেয়েছিল ঐ মৃত্যুর প্রসাদে
কিন্তু দেয়নি ওরা যেতে,
তার আগেই ঐ জানোয়ারের হাতের
রাইফেলটার পৌশাচিক আঘাত পড়লো মাথায়
পৃথিবী ঘুরপাক খেয়ে উঠলো নিমেষে
ঠিকানা হারিয়ে গেল রক্তস্রোতে।
যেতে চেয়েছিল ঐ মৃত্যুর প্রসাদে
কিন্তু দেয়নি ওরা যেতে,
তার আগেই ঐ জানোয়ারের হাতের
রাইফেলটার পৌশাচিক আঘাত পড়লো মাথায়
পৃথিবী ঘুরপাক খেয়ে উঠলো নিমেষে
ঠিকানা হারিয়ে গেল রক্তস্রোতে।
নইলে, সে দিন হয়তো এ বিষাক্ত
পৃথিবী ছেড়ে যেতে পারতেম
ঐ শান্তিময় মরন-প্রাসাদে।
পৃথিবী ছেড়ে যেতে পারতেম
ঐ শান্তিময় মরন-প্রাসাদে।
13/12/1991
ফুলবয়রা।
ফুলবয়রা।